হ্যাঁ। কুরআন বলে, ধর্মে কোনো জবরদস্তি নেই, এবং সত্য ভ্রান্তি থেকে স্পষ্ট হয়ে গেছে। কাউকে মুসলিম হতে বাধ্য করা যায় না, এবং কারও ঈমানের বিচার আল্লাহ করেন, মানুষ নয়।
বিস্তারিত উত্তর
কুরআন নবী ﷺ-কে বলে যে তিনি কেবল একজন স্মরণ করিয়ে দেওয়ার মানুষ, মানুষের ওপর নিয়ন্ত্রক নন, এবং জানায় যে আল্লাহ চাইলে পৃথিবীর সব মানুষ ঈমান আনত, আর জিজ্ঞাসা করে, তিনি কি তাদের বাধ্য করবেন? জোর করে চাপানো বিশ্বাস ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ ঈমান অন্তরের বিষয়।
ইতিহাসে ইহুদি ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়গুলো শত শত বছর মুসলিম শাসনের অধীনে নিজেদের আদালত, গির্জা ও সিনাগগ নিয়ে বাস করেছে, এবং নবী ﷺ-এর প্রাচীন জীবনীগুলোতে নাজরানের খ্রিষ্টানদের তিনি যে নিরাপত্তার চুক্তি দিয়েছিলেন তা লিপিবদ্ধ আছে। ইতিহাসে অসহিষ্ণুতার খারাপ ঘটনাও আছে, যেমন প্রতিটি সমাজে থাকে। মুসলিমরা মনে করে, এই ঘটনাগুলো কুরআন যা শেখায় তার বিপরীত।
দ্বীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি বা বাধ্য-বাধকতা নেই। নিঃসন্দেহে হেদায়াত গোমরাহী থেকে পৃথক হয়ে গেছে। এখন যারা গোমরাহকারী ‘তাগুত’দেরকে মানবে না এবং আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করবে, সে ধারণ করে নিয়েছে সুদৃঢ় হাতল যা ভাংবার নয়। আর আল্লাহ সবই শুনেন এবং জানেন।
এই উত্তর সুন্নি মুসলিমদের প্রধান ধারার বোঝাপড়া অনুসরণ করে এবং এটি সাধারণ জ্ঞানের জন্য, ফতোয়া নয়। যেখানে মুসলিমদের মধ্যে মতভেদ আছে, উত্তরে তা বলা হয়েছে। আপনার নিজের কোনো প্রশ্ন আছে? আমাদের লিখুন.