ইসলামের প্রথম শতাব্দীতে মুসলিম সেনাবাহিনী ভূখণ্ড জয় করেছে, যেমন সেই যুগে সাম্রাজ্যগুলো করত, কিন্তু বিজয় ও ধর্মান্তর আলাদা। বিজিত অঞ্চলের বেশির ভাগ মানুষ শত শত বছর ধরে ধীরে ধীরে মুসলিম হয়েছে, এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ায় ইসলাম পৌঁছেছে ব্যবসায়ী ও শিক্ষকদের মাধ্যমে, কোনো সেনাবাহিনীর মাধ্যমে নয়।
বিস্তারিত উত্তর
কুরআন মানুষকে ধর্মে জোর করতে নিষেধ করে। মিসর, সিরিয়া ও ইরাকে বিজয়ের পর কয়েক শতাব্দী মুসলিমরা সংখ্যালঘু ছিল, এবং খ্রিষ্টান, ইহুদি ও জরথুস্ট্রীয় সম্প্রদায়গুলো মুসলিম শাসনের অধীনে টিকে ছিল ও সমৃদ্ধ হয়েছিল। ধর্মান্তর জোর করে হলে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো খ্রিষ্টান থাকত না। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, পশ্চিম আফ্রিকা ও পূর্ব আফ্রিকায় ইসলাম ছড়িয়েছে প্রধানত ব্যবসায়ী, আলেম ও সুফি শিক্ষকদের মাধ্যমে।
ইসলাম আজও কয়েকটি দেশে দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান ধর্ম, যেখানে কোনো সেনাবাহিনী নেই। তবু ইতিহাসবিদরা স্বীকার করেন যে কিছু সময়ে ও কিছু জায়গায় রাজনৈতিক চাপ ছিল, যেমন অমুসলিমদের জন্য বেশি কর। প্রশ্ন হলো শাসকদের আচরণ ধর্মকে কতটা প্রতিফলিত করে, এবং মুসলিম শিক্ষায় জোরপূর্বক ধর্মান্তর অবৈধ।
দ্বীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি বা বাধ্য-বাধকতা নেই। নিঃসন্দেহে হেদায়াত গোমরাহী থেকে পৃথক হয়ে গেছে। এখন যারা গোমরাহকারী ‘তাগুত’দেরকে মানবে না এবং আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করবে, সে ধারণ করে নিয়েছে সুদৃঢ় হাতল যা ভাংবার নয়। আর আল্লাহ সবই শুনেন এবং জানেন।
এই উত্তর সুন্নি মুসলিমদের প্রধান ধারার বোঝাপড়া অনুসরণ করে এবং এটি সাধারণ জ্ঞানের জন্য, ফতোয়া নয়। যেখানে মুসলিমদের মধ্যে মতভেদ আছে, উত্তরে তা বলা হয়েছে। আপনার নিজের কোনো প্রশ্ন আছে? আমাদের লিখুন.