মুসলিমরা বিশ্বাস করে ঈশ্বর মাত্র একজন, তাই ইবরাহিম, মুসা ও ঈসার ঈশ্বর সেই একই ঈশ্বর, যাঁকে মুসলিমরা আল্লাহ বলে। মুসলিম, খ্রিষ্টান ও ইহুদিদের মতভেদ তাঁর বর্ণনা নিয়ে, তিনি একমাত্র স্রষ্টা কি না তা নিয়ে নয়।
বিস্তারিত উত্তর
আল্লাহ শুধু ঈশ্বরের আরবি শব্দ। আরবি বাইবেলে ঈশ্বরের জন্য ‘আল্লাহ’ ব্যবহৃত হয়, এবং আরব খ্রিষ্টান ও ইহুদিরা তাদের প্রার্থনায় আল্লাহ বলে। শব্দটি হিব্রু ‘এলোহা’ এবং আরামীয় ‘আলাহা’র সঙ্গে সম্পর্কিত, আরামীয় সেই ভাষা, যাতে ঈসা কথা বলতেন।
ইসলাম যেখানে আলাদা, তা হলো আল্লাহর বর্ণনায়: তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই, তাঁর কোনো পুত্র নেই, তিনি তিন সত্তা নন, এবং তিনি মানুষ হয়ে আসেন না। মুসলিমরা সেই আল্লাহর ইবাদত করে, যাঁকে ইবরাহিম, মুসা ও ঈসা ডেকেছিলেন, এবং বিশ্বাস করে এই নবীরা শুধু তাঁর একত্বই শিখিয়েছিলেন।
তোমরা কিতাবধারীদের সাথে তর্ক-বিতর্ক করবে না, কিন্তু উত্তম পন্থায়; তবে তাদের সাথে নয়, যারা তাদের মধ্যে বে-ইনসাফ। এবং বল, আমাদের প্রতি ও তোমাদের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে, তাতে আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি। আমাদের উপাস্য ও তোমাদের উপাস্য একই এবং আমরা তাঁরই আজ্ঞাবহ।
বলুনঃ ‘হে আহলে-কিতাবগণ! একটি বিষয়ের দিকে আস-যা আমাদের মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে সমান-যে, আমরা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করব না, তাঁর সাথে কোন শরীক সাব্যস্ত করব না এবং একমাত্র আল্লাহকে ছাড়া কাউকে পালনকর্তা বানাব না। তারপর যদি তারা স্বীকার না করে, তাহলে বলে দাও যে, ‘সাক্ষী থাক আমরা তো অনুগত।
এই উত্তর সুন্নি মুসলিমদের প্রধান ধারার বোঝাপড়া অনুসরণ করে এবং এটি সাধারণ জ্ঞানের জন্য, ফতোয়া নয়। যেখানে মুসলিমদের মধ্যে মতভেদ আছে, উত্তরে তা বলা হয়েছে। আপনার নিজের কোনো প্রশ্ন আছে? আমাদের লিখুন.