মারইয়াম (আ.) কুরআনে সবচেয়ে সম্মানিত নারী এবং কুরআনে নাম উল্লিখিত একমাত্র নারী। কুরআন তাঁকে সারা জগতের নারীদের ওপর মনোনীত, পবিত্র ও সত্যবাদিনী বলে এবং তাঁর কাহিনি বিস্তারিত বর্ণনা করে।
বিস্তারিত উত্তর
কুরআনের ১৯ নম্বর সুরার নাম মারইয়াম। এতে বলা হয়েছে, ফেরেশতা কীভাবে আল্লাহর আদেশে একটি সন্তানের সুসংবাদ দিলেন, যদিও কোনো পুরুষ তাঁকে স্পর্শ করেনি, এবং কীভাবে তিনি তাঁকে জন্ম দিলেন ও দোলনায় শিশুর কথা দিয়ে তাঁর পক্ষে প্রমাণ হলো। মুসলিমরা ঈসার কুমারী-জন্মে বিশ্বাস করে।
কুরআন তাঁকে নারী-পুরুষ সব মুমিনের জন্য আদর্শ হিসেবে তুলে ধরে। তাঁকে বর্ণনা করা হয়েছে একজন ইবাদতগুজার, অবিচল এবং তাঁর প্রভুর বাণীকে সত্য বলে মেনে নেওয়া নারী হিসেবে। অনেক মুসলিম মেয়ের নাম মারইয়াম, এবং মুসলিমরা কখনো তাঁর সম্পর্কে মন্দ কথা বলে না।
আর যখন ফেরেশতা বলল হে মারইয়াম!, আল্লাহ তোমাকে পছন্দ করেছেন এবং তোমাকে পবিত্র পরিচ্ছন্ন করে দিয়েছেন। আর তোমাকে বিশ্ব নারী সমাজের উর্ধ্বে মনোনীত করেছেন।
যখন ফেরেশতাগণ বললো, হে মারইয়াম আল্লাহ তোমাকে তাঁর এক বানীর সুসংবাদ দিচ্ছেন, যার নাম হলো মসীহ-মারইয়াম-তনয় ঈসা, দুনিয়া ও আখেরাতে তিনি মহাসম্মানের অধিকারী এবং আল্লাহর ঘনিষ্ঠদের অন্তর্ভূক্ত।
আর দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন এমরান-তনয়া মরিয়মের, যে তার সতীত্ব বজায় রেখেছিল। অতঃপর আমি তার মধ্যে আমার পক্ষ থেকে জীবন ফুঁকে দিয়েছিলাম এবং সে তার পালনকর্তার বানী ও কিতাবকে সত্যে পরিণত করেছিল। সে ছিল বিনয় প্রকাশকারীনীদের একজন।
এই উত্তর সুন্নি মুসলিমদের প্রধান ধারার বোঝাপড়া অনুসরণ করে এবং এটি সাধারণ জ্ঞানের জন্য, ফতোয়া নয়। যেখানে মুসলিমদের মধ্যে মতভেদ আছে, উত্তরে তা বলা হয়েছে। আপনার নিজের কোনো প্রশ্ন আছে? আমাদের লিখুন.