وَمَآ أَرْسَلْنَٰكَ إِلَّا رَحْمَةًۭ لِّلْعَٰلَمِينَ ﴿١٠٧﴾
আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি।
মুহাম্মাদ ﷺ (প্রায় ৫৭০–৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ) মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন এবং আল্লাহর শেষ নবী। ৪০ বছর বয়সে তিনি কুরআনের প্রথম ওহি পান, এবং পরবর্তী ২৩ বছর মানুষকে শুধু আল্লাহর ইবাদতের দিকে এবং ন্যায় ও দয়ার সঙ্গে জীবন যাপনের দিকে ডেকেছেন।
তিনি ছিলেন এতিম, দাদা ও চাচার কাছে বড় হয়েছেন, এবং নবী হওয়ার অনেক আগে থেকেই মক্কায় ‘আস-সাদিক’ (সত্যবাদী) ও ‘আল-আমিন’ (বিশ্বস্ত) নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি ব্যবসায়ী হিসেবে কাজ করতেন এবং ব্যবসায়ী নারী খাদিজাকে বিয়ে করেছিলেন, যিনি তাঁর প্রতি প্রথম ঈমান এনেছিলেন।
মক্কায় তেরো বছর তাঁর জাতি তাঁকে ও তাঁর অনুসারীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে। এরপর তিনি মদিনায় হিজরত করেন, যেখানে তিনি একটি সমাজ গড়েন, চুক্তি করেন এবং মুসলিমরা আক্রান্ত হওয়ার পর তাদের রক্ষা করেন। মৃত্যুর আগে তিনি মক্কায় ফিরে আসেন এবং যারা তাঁর বিরুদ্ধে লড়েছিল তাদের ক্ষমা করে দেন। মুসলিমরা তাঁকে ভালোবাসে ও তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে, কিন্তু তাঁর ইবাদত করে না: তিনি ছিলেন একজন মানুষ এবং আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।
وَمَآ أَرْسَلْنَٰكَ إِلَّا رَحْمَةًۭ لِّلْعَٰلَمِينَ ﴿١٠٧﴾
আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি।
وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٍۢ ﴿٤﴾
আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী।
لَّقَدْ كَانَ لَكُمْ فِى رَسُولِ ٱللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌۭ لِّمَن كَانَ يَرْجُوا۟ ٱللَّهَ وَٱلْيَوْمَ ٱلْءَاخِرَ وَذَكَرَ ٱللَّهَ كَثِيرًۭا ﴿٢١﴾
যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্যে রসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম নমুনা রয়েছে।
مَّا كَانَ مُحَمَّدٌ أَبَآ أَحَدٍۢ مِّن رِّجَالِكُمْ وَلَٰكِن رَّسُولَ ٱللَّهِ وَخَاتَمَ ٱلنَّبِيِّۦنَ ۗ وَكَانَ ٱللَّهُ بِكُلِّ شَىْءٍ عَلِيمًۭا ﴿٤٠﴾
মুহাম্মদ তোমাদের কোন ব্যক্তির পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী। আল্লাহ সব বিষয়ে জ্ঞাত।
এই উত্তর সুন্নি মুসলিমদের প্রধান ধারার বোঝাপড়া অনুসরণ করে এবং এটি সাধারণ জ্ঞানের জন্য, ফতোয়া নয়। যেখানে মুসলিমদের মধ্যে মতভেদ আছে, উত্তরে তা বলা হয়েছে। আপনার নিজের কোনো প্রশ্ন আছে? আমাদের লিখুন.