মুসলিমরা মনে করে আল্লাহ মহাবিশ্ব ও জীবন সৃষ্টি করেছেন, এবং আদম ছিলেন প্রথম মানুষ, যাঁকে আল্লাহ সরাসরি সৃষ্টি করেছেন। বেশির ভাগ আলেম অ-মানব পূর্বপুরুষ থেকে মানুষের বিবর্তন প্রত্যাখ্যান করেন, আর কেউ কেউ অন্যান্য প্রজাতির বিবর্তন মেনে নেন এবং অল্প কয়েকজন আরও ব্যাপকভাবে তা মেনে নেন।
বিস্তারিত উত্তর
কুরআন বলে, আল্লাহ আদমকে কাদামাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাতে নিজের রুহ ফুঁকে দিয়েছেন, এবং আদম ও তাঁর স্ত্রী মানবজাতির পিতা-মাতা ছিলেন, আর কুরআন ঈসার সৃষ্টিকে আদমের সৃষ্টির সঙ্গে তুলনা করেছে। এ কারণে আলেমদের মূলধারার মত, মানুষ অন্য প্রাণী থেকে আসেনি, যদিও তাঁরা প্রজাতির ভেতরের পরিবর্তন মেনে নিতে পারেন।
কিছু মুসলিম চিন্তাবিদ যুক্তি দেন যে সৃষ্টিতে কত সময় লেগেছিল এবং প্রজাতি কীভাবে গঠিত হয়েছিল তার খুঁটিনাটি সম্পর্কে কুরআন নীরব, তাই এটি বিবর্তনকে আল্লাহর পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করার জায়গা রাখে, যেখানে আদম রুহসহ প্রথম সত্তা। অন্যরা তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেন। মুসলিমরা সাধারণত কুরআনকে বিজ্ঞানের পাঠ্যবই হিসেবে পড়ে না, এবং সৃষ্টির খুঁটিনাটি সম্পর্কে প্রতিটি প্রশ্নের নিষ্পত্তি করার প্রয়োজন অনুভব করে না।
হে মানব সমাজ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং যিনি তার থেকে তার সঙ্গীনীকে সৃষ্টি করেছেন; আর বিস্তার করেছেন তাদের দু’জন থেকে অগণিত পুরুষ ও নারী। আর আল্লাহকে ভয় কর, যাঁর নামে তোমরা একে অপরের নিকট যাচঞ্ঝা করে থাক এবং আত্নীয় জ্ঞাতিদের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন কর। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের ব্যাপারে সচেতন রয়েছেন।
এই উত্তর সুন্নি মুসলিমদের প্রধান ধারার বোঝাপড়া অনুসরণ করে এবং এটি সাধারণ জ্ঞানের জন্য, ফতোয়া নয়। যেখানে মুসলিমদের মধ্যে মতভেদ আছে, উত্তরে তা বলা হয়েছে। আপনার নিজের কোনো প্রশ্ন আছে? আমাদের লিখুন.