ইসলাম ন্যায়বিচার এবং অন্যায়ের সমানুপাতিক প্রতিক্রিয়ার অনুমতি দেয়, এবং ক্ষমাকে জোরালোভাবে উৎসাহিত করে। কুরআন বলে, মন্দের প্রতিদান তার মতোই মন্দ, কিন্তু যে ক্ষমা করে ও মীমাংসা করে, তার প্রতিদান আল্লাহর কাছে।
বিস্তারিত উত্তর
কুরআন মুমিনদের বলে মন্দকে উত্তম দিয়ে প্রতিহত করতে, ফলে যার সঙ্গে তোমার শত্রুতা, সে অন্তরঙ্গ বন্ধুর মতো হয়ে যাবে। সৎকর্মশীলদের বর্ণনায় আছে ‘যারা ক্রোধ সংবরণ করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে’। নবী ﷺ বছরের পর বছর নির্যাতনের পর মক্কাবাসীদের ক্ষমা করেছিলেন, এবং উপদেশ চাওয়া এক ব্যক্তিকে তাঁর উত্তর ছিল: ‘রাগ কোরো না’।
আইনে হত্যার শিকারের পরিবার কিসাস বেছে নিতে পারে, রক্তপণ গ্রহণ করতে পারে বা ক্ষমা করতে পারে, এবং ক্ষমাকে উত্তম বলে বর্ণনা করা হয়েছে। মুসলিমরা বিশ্বাস করে, শেষ পর্যন্ত অন্যদের ক্ষমা করাই আল্লাহর ক্ষমা পাওয়ার পথ।
হে ঈমানদারগন! তোমাদের প্রতি নিহতদের ব্যাপারে কেসাস গ্রহণ করা বিধিবদ্ধ করা হয়েছে। স্বাধীন ব্যক্তি স্বাধীন ব্যক্তির বদলায়, দাস দাসের বদলায় এবং নারী নারীর বদলায়। অতঃপর তার ভাইয়ের তরফ থেকে যদি কাউকে কিছুটা মাফ করে দেয়া হয়, তবে প্রচলিত নিয়মের অনুসরণ করবে এবং ভালভাবে তাকে তা প্রদান করতে হবে। এটা তোমাদের পালনকর্তার তরফ থেকে সহজ এবং বিশেষ অনুগ্রহ। এরপরও যে ব্যাক্তি বাড়াবাড়ি করে, তার জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।
উৎসসমূহ
এই উত্তরের পেছনের হাদিস ও বর্ণনাগুলো। sunnah.com-এ পড়তে একটি নম্বর খুলুন।
এই উত্তর সুন্নি মুসলিমদের প্রধান ধারার বোঝাপড়া অনুসরণ করে এবং এটি সাধারণ জ্ঞানের জন্য, ফতোয়া নয়। যেখানে মুসলিমদের মধ্যে মতভেদ আছে, উত্তরে তা বলা হয়েছে। আপনার নিজের কোনো প্রশ্ন আছে? আমাদের লিখুন.