হ্যাঁ। জ্ঞান অর্জন প্রত্যেক মুসলিমের, নারী-পুরুষ উভয়ের, কর্তব্য, এবং নারীরা কাজ করতে ও ব্যবসা চালাতে পারে। নবী ﷺ-এর প্রথম স্ত্রী খাদিজা ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী, যিনি তাঁকে কাজে নিয়োগ দিয়েছিলেন।
বিস্তারিত উত্তর
কুরআন জিজ্ঞাসা করে, যারা জানে এবং যারা জানে না তারা কি সমান? আর নবী ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি জ্ঞান অর্জনের পথে চলে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন। ইসলামের প্রথম যুগে নারীরা ছিলেন হাদিস বর্ণনাকারী, আলেম, চিকিৎসক ও শিক্ষক। আজকের মুসলিম বিশ্বে কয়েকটি দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে পুরুষের চেয়ে নারী বেশি ভর্তি হচ্ছে, এবং পাকিস্তান, বাংলাদেশ, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া ও কসোভোতে নারীরা প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট হয়েছেন।
নারীর আয় তার নিজের। যেখানে নারীদের শিক্ষা বা কাজ থেকে বঞ্চিত করা হয়, যেমন কিছু জায়গায় কঠোর শাসনে, সেখানে ইসলামি আলেম ও মুসলিম নারীরা প্রায়ই বলেন, এটি একটি রাজনৈতিক বা সাংস্কৃতিক বিধিনিষেধ, ধর্মীয় নয়।
আর ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারী একে অপরের সহায়ক। তারা ভাল কথার শিক্ষা দেয় এবং মন্দ থেকে বিরত রাখে। নামায প্রতিষ্ঠা করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের নির্দেশ অনুযায়ী জীবন যাপন করে। এদেরই উপর আল্লাহ তা’আলা দয়া করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশীল, সুকৌশলী।
যে ব্যক্তি রাত্রিকালে সেজদার মাধ্যমে অথবা দাঁড়িয়ে এবাদত করে, পরকালের আশংকা রাখে এবং তার পালনকর্তার রহমত প্রত্যাশা করে, সে কি তার সমান, যে এরূপ করে না; বলুন, যারা জানে এবং যারা জানে না; তারা কি সমান হতে পারে? চিন্তা-ভাবনা কেবল তারাই করে, যারা বুদ্ধিমান।
উৎসসমূহ
এই উত্তরের পেছনের হাদিস ও বর্ণনাগুলো। sunnah.com-এ পড়তে একটি নম্বর খুলুন।
এই উত্তর সুন্নি মুসলিমদের প্রধান ধারার বোঝাপড়া অনুসরণ করে এবং এটি সাধারণ জ্ঞানের জন্য, ফতোয়া নয়। যেখানে মুসলিমদের মধ্যে মতভেদ আছে, উত্তরে তা বলা হয়েছে। আপনার নিজের কোনো প্রশ্ন আছে? আমাদের লিখুন.